ভালোবাসার বি’চ্ছে’দ হয় না, বি’চ্ছে’দ হয় না মনের,
বি’চ্ছে’দ হয় শ’রী’রে’র, বি’চ্ছে’দ হয় সম্পর্কের, বি’চ্ছে’দ হয় মানুষের;
মানুষ ভালোবেসে যা পায় তার থেকে বেশি হা’রা’য়,
অ’য’ত্নে, অ’না’দ’রে, অ’ব’হে’লা’য়, গুরুত্বহী’ন’তা’য়;
কারণ! মানুষ ভালোবাসা পাওয়ার জন্য যে সময় ব্যয় করে তার অ’র্ধে’ক সময়ও কখনো সম্পর্ক টেকানোর জন্য ব্যয় করে না, যদি করতো তবে বর্তমানে সম্পর্ক ভা’ঙ্গা’র প্রতিযোগিতা চলতো না;
আজ-কাল সম্পর্ক গড়া যতটা সহজ হয়ে গেছে, ভা’ঙ্গা’টাও ততটাই সহজ হয়ে গেছে, মানুষ এখন পোশাকের মতো সম্পর্ক বদলায়, প্রিয়জন বদলায়, তাই! সম্পর্কের দাম এখন শূ’ন্যে’র কোঠায় বললেই চলে;
বর্তমান প্রজন্ম সম্পর্কের শুরুতে কোনোরকম ভাবে টুকটাক adjustment করলেও, কেউ-ই খুব একটা sacrifice করতে চায় না, কেউ-ই কাউকে এক চুল ছাড় দিতেও রাজি না, সবাই অনেক বেশি আ’ত্ম’কে’ন্দ্রি’ক, নিজের ভালো – ম’ন্দটুকু ছাড়া কেউ কিছু বোঝেও না আর বুঝতে চায়ও না;
সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত ভীষণ, নিজের ভালো থাকাটাই বর্তমান প্রজন্মের first priority, তাই আবেগের থেকে বিবেক একটু বেশিই কাজ করে আমাদের, আসলে আমরা ভুলে যাই জীবনে বেঁচে থাকতে গেলে বিবেক যতটা গুরুত্বপূর্ণ আবেগও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, একজনের প্রতি অন্যজনের মা’য়া-ম’ম’তা কম থাকায় সম্পর্ক টেকানোর প্রতিও আমাদের মমত্ব বোধ খুবই দু’র্ব’ল, তাই তো পান থেকে চুন খ’স’লেই আমরা বি’চ্ছে’দ চাই, পঁচিশ কিংবা পয়ত্রিশ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতেও আমাদের বাঁ’ধে না, ‘এক সাথে থাকা আর সম্ভব নয়’ কিংবা ‘বন্ধুত্বটুকু আর নেই’ কিংবা ‘মনের মিল আর হচ্ছে’ বলে আমরা হ’র’হা’মে’শা’ই বি’চ্ছে’দ টানি সম্পর্কে;
বি’চ্ছে’দ তো হয় ঠিকই তবে সব বি’চ্ছে’দে’র পিছনেই কিন্তু দুজনের সদিচ্ছা কিংবা দুজনের সম্মতি থাকে না, বেশিরভাগ বি’চ্ছে’দ হয় একজনের অন্য খাচায় পোষ মানায় আর অন্যজনের আ’পো’ষে, কেউ চাপিয়ে দিয়ে কেউ বাধ্য হয়ে মেনে নিয়ে সম্পর্কে বি’চ্ছে’দ টানে, মানুষটি আ’পো’ষ করে কিন্তু! ভালোবাসা তো আর আ’পো’ষ করে না, ভালোবাসা ঠিকই মনে রয়ে যায়, কারণ! ভালোবাসার যে কখনো বি’চ্ছে’দ হয় না।