
পদ্মা নদীর পাড়ে
রিতুনুর
আমি পদ্মার পাড়ে ঢেউ এসে হৃদয় কাড়ে
যেদিকে তাকাই জল আর জল,
অথৈই পানির ঢল।
ঢল ঠেকাতে
চিক চিক বস্তাবালি
মাঝে মাঝে বস্তা পানিতে ডুবে খালি।
সরকার দিয়েছে পরিকল্পনা করে বাঁধ
তবু ভয়ে কাটে কত পরিবারের রাত।
রাত বিরাতে পানি যখন উপচে আসে
শোঁ শোঁ শব্দে তেড়ে,
সেই ভয়ে কত পরিবার আমাদের গেছে
ভিটামাটি বিক্রমপুর ছেড়ে।
তবে এখনো টিকে আছে,
মাথা উঁচু করে আমার দাদার ঐতিহাসিক
শেখ বাড়ি হিজলতলে পোতা আছে বাবার নাড়ি।
আমি সেই নাড়ি ছেঁড়া ধন,
আছি বড় নও পাড়া লৌহজং
এখানে আসলে ভালো হয়ে দেহ মন।
মনের কোণে খুশির বাদ্যযন্ত্র বাঁজে,
তখন নীল আকাশটা শুভ্র সাদা ধূতির মত সাজে।
সাজতে সাজতে গোধূলি এক সময় ডুবে
পৃথিবী আঁধারে নিশ্বব্দে হয় কালো তবু
লাগে ভালো।